Home >> পড়ালেখা >> প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি খোলার প্রস্তাব

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি খোলার প্রস্তাব

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি চালু করতে চার ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে প্রস্তাব চেয়েছে সরকার।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও
অপারেশন) মো. আব্দুর রউফের স্বাক্ষরে মঙ্গলবার শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো এক চিঠিতে এই প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষানীতি- ২০১০ অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষা হবে প্রাক-প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত; যা ২০১৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করার কথা।
জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার স্তর অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীতের উদ্যোগ নিতে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনেই ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০১৩ সালে ৪৯১টি এবং ২০১৪ সালে ১৫৫টি সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি চালু করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
অধিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বৃদ্ধি করে আট বছর তথা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের নির্দেশনা
রয়েছে।
“অবকাঠামোগত সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক কর্মরত থাকলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রথমে ষষ্ঠ শ্রেণি চালু করতে নিম্নোক্ত তথ্য-ডকুমেন্টস সংযুক্ত করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রস্তাব পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।”
* বিদ্যালয়ের কক্ষ সংখ্যা, শিক্ষার্থী সংখ্যা, কর্মরত শিক্ষক সংখ্যা, বিদ্যালয়ের চারপাশে থাকা
সরকারি-বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবস্থান
উল্লেখ করে প্রধান শিক্ষকের আবেদনপত্র।
* সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দিয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শন করে ষষ্ঠ শ্রেণি খোলার
উপযোগিতা সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন।
* সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি
খোলার জন্য বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্যদের
সুপারিশ।
*প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি খোলার
যৌক্তিকতা উল্লেখ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা
কর্মকর্তার সুপারিশ।
শিক্ষাবিদদের উপস্থিতিতে গত ১৮ মে শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করে তা গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিলেও নানা জটিলনায় এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।