Home >> নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি >> হিটমি’র সঙ্গে পৃথিবীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

হিটমি’র সঙ্গে পৃথিবীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

মহাকাশ গবেষণায় পাঠানো জাপানের নতুন স্পেস টেলিস্কোপ হিটমি’র সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। স্পেস টেলিস্কোপটি নাসার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বহন করছিল। টেলিস্কোপটি মূলত মহাকাশের ব্ল্যাক হোল, ছায়াপথ ও বিভিন্ন উচ্চশক্তি যেমন এক্স-রে ও গামা রশ্মি নিয়ে গবেষণায় নিয়োজিত ছিল।

 

স্পেস টেলিস্কোপটি গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মহাকাশ গবেষণার জন্য পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হয়েছিল। রাডারে গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করার সময় গত ২৬ মার্চ শনিবার, ধরা পরে যে এটি কক্ষপথ পরিবর্তন করছে। এবং এরপরই হিটমি’র সঙ্গে পৃথিবীর যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়।

 

এ বিষয়ে জাপানের জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী জনাথন ম্যাকডোল বলেন, ‘এটি একটি মামুলি ঘটনা, কোনো সামান্য কারণে এই যোগাযোগের বিঘ্নতা ঘটতে পারে।’

 

জনাথন ম্যাকডোল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে টুইট করে জানান, হিটমির কক্ষপথ পরিভ্রমণ গত ২৬ মার্চ আকস্মিকভাবে পরিবর্তন হয়েছে।

 

স্পেস টেলিস্কোপ হিটমি-তে আসলেই কী ঘটেছে তার সঠিক তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে আসল তথ্য পাওয়ার জন্য বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

জাপান স্পেস এজেন্সি জাক্সা তাদের একটি রিপোর্টে জানিয়েছে, তারা টেলিস্কোপটি থেকে বিছিন্ন সংকেত পাচ্ছেন, যা টেলিস্কোপটি পাঁচ টুকরা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে।

 

তবে জনাথন ম্যাকডোল বলেন, ‘আমি এখনো আশা হারাইনি, এর আগেও মহাকাশে পাঠানো সোহো এর সঙ্গে পৃথিবীর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, অ্যালেক্সিস এর সোলার প্যানেল ভেঙে গিয়ে কাঁপছিল, তারপরও তারা উড়ে বেড়িয়েছিল মহাকাশে, কয়েক মাসের মধ্যেই আমরা সেই বিপত্তি কাটিয়ে উঠে মিশন সফল করেছিলাম, তাই আমি খারাপ কিছু বলতে চাইছি না, আমরা আবারও সফল হব।’

 

গত বছর জাপান স্পেস এজেন্সি জাক্সা তাদের মাহাকাশ যান আকাসুকি-কে শুক্র গ্রহের কক্ষপথে পাঠিয়ে ছিল, যদিও প্রথমবার ব্যর্থ হতে হয়েছিল। আকাসুকি একটি ভালভ ভাঙা অবস্থায় ৫ বছর মহাকাশে ছিল, লক্ষে পৌঁছানোর পরে শুক্র গ্রহের মহাকর্ষীয় টানে পতিত হয়।

 

মহাকাশ মানুষের কাছে এখনো বিস্ময়। এর অজানাকে জানার জন্য একের পর এক চেষ্টা চলছে। আর এই চেষ্টার মধ্যে অনেক ভুলক্রটি হয়েই থাকে। এতো কিছুর পরও বিজ্ঞানীদের প্রত্যাশা মহাকাশ গবেষণায় তারা সফল হবেন-ই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.